May 28, 2014

মিস করলে লস

<<< মিস করলে লস >>>
একদিন ৭ বছরের এক বালক তার
আম্মুকে বললো, আম্মু!
আমাকে আগামী বছর
ঈদে কি দিবে?
আম্মু বললেন, এখনো তো অনেক সময়  আছে...দেখা যাক...
ছেলেটি ঈদের কিছুদিন আগেই হটাৎ
অজ্ঞান হয়ে গেলো..
দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলো...

ডাক্তার ছলেটিকে পরীক্ষা করে ছেলেটির ...
মা ও বাবাকে বললো, আপনার
ছেলের হার্টে একটি ছিদ্র ধরা পড়েছে..
দ্রুত হার্ট পরিবর্তন
না করলে তাকে বাচাঁনো যাবে না...
যখন মা ছেলেটিকে
কে দেখতে গেলো...ছেলেটি তার
মা কে বললো, 
আম্মু! আমি কি মারা যাবো?
মা বললেন, না, তুমি শীঘ্রই সুস্থ
হয়ে উঠবে।
আম্মু - তুমি কিভাবে জানো?
ডাক্তার বলেছে,।
আব্বু তুমি চিন্তা করনা-
আমি জানি আব্বু,
তুমি অবশ্যই
সুস্থ হয়ে যাবে। .
ছেলেটি দীর্ঘদিন
হাসপাতালে চিকিৎসার পর
ঈদের দিন
সুস্থ হয়ে বাসায় আসলো...
বাসায় আসার পরে তার বাবা

 তাকে একটি চিঠি পড়তে দিলো...
চিঠিটা ছেলের  মায়ের লেখা...
"প্রিয় আব্বু আমার এই চিঠি !
তুমি যখন পড়ছো 

তার অর্থ হলো সবকিছু ঠিক মতোই
হয়েছে এবং তুমি সুস্থ
আছো যেমনটি আমি বলেছিলাম...
মনে আছে? একদিন তুমি প্রশ্ন
করেছিলে,
আগামী ঈদে কি উপহার দিবো।
তখন আমি জানতাম
না কি দিবো... কিন্তু যখন
তুমি অসুস্থ হয়ে পড়লে তখনই
আমি বুঝলাম
তোমাকে আমি কি দিতে পারি...
তাই তোমার জন্যে আমার
উপহার আমার একমাত্র হার্ট.....  
আমি তোমাকে এর
থেকে অনেক বেশি ভালোবাসি ....."
 আজ আমি দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেও 
আমার ছেলেটা বেচে আছে 
আমার জীবনের বিনিময় ।
 আমার আব্বু বেচে আছে
বাবা- মা'কে আমরা কখনো যেন
ভুলেও কোন কষ্ট  না দেই..... 
কারন, তারাই আমাদের
ছোটবেলায় সব কষ্ট থেকে আগলে রেখেছিলেন...

দূরে থাকা মানেই

দূরে থাকা মানেই
দূরত্ব বেশি নয়...
পাশে থাকা মানেই
কাছে থাকা নয়....।
দূরে থাকলে ভেবোনা
দূরে চলে গেছি...
কথা না হলে ভেবোনা
তোমায় ভুলে গেছি...
কাঁদলে ভেবো না
হাসতে ভুলে গেছি...
অভিমান করলে ভেবো না
ভালোবাসতে ভুলে গেছি...।

May 27, 2014

আমি এবং আমার বন্ধু মাহাবুব



May 20, 2014

Damaj Hard- by jk

01
একটু পড়বেন সবাই PLZ

টিফিন এর সময় সব ছেলে-
মেয়ে টিফিন করতে বাইরে গেল ।
সবাই ক্লাস থেকে বের হয়ে কেউ
কেউ গেল ক্যান্টিন এ আবার কেউ
কেউ মাঠে খেলতে । কিন্তু এর
থেকে একটি ছেলে এর কোনটিতেই
গেল না ।
মাঠের এক কোনে , গাছের
নিচে বসে আছে । প্রতিদিনই এই রকম
দেখা যায় । ক্লাসে এ অনেকেই এই
ছেলেটিকে দেখতে পারে না ।
ছেলেটার জামা নোংরা , চুল
গুলো এলোমেলো । আর বাকিদের ,
সুন্দর জামা -কাপড়। সুন্দর
করে পরিপাটি করে আসে সবাই শুধু ঐ
ছেলেটি ছাড়া ।
সামনে পরীক্ষা ।
স্কুলে টাকা দিতে হবে । সবাই যার
যার বাসায় জানায় ।
সবার বাবা-মা এসে টাকা পরিশোধ
করে গেছে । শুধু ঐ ছেলেটির
পরীক্ষার
ফি বাকি । ছেলেটি ক্লাসে আসলেই
স্যার
ফি এর কথা জিজ্ঞাসা করে । আর
ছেলেটি চুপ করে থাকে । এই
ভাবে ২-৩ দিন গেল ।
স্যাররা বুঝতে পারলো , এই
ছেলে তার
টাকা দিতে পারবে না । হেড
স্যারের কাছে নিয়ে ছেলের
নামে নালিষ করলো । হেড সার
ছেলেটিকে তার রুমে ডাকলো ।
অনেক বকা ঝকা করলো ।
বাবা-মা দিয়ে পরের দিন
ক্লাসে আসতে বলল ।
"প্রথম দিন
তোমার বাবা-মা এসে সেই
যে ভর্তি করে দিয়ে গেল আর
তাদের মুখ এ দেখলাম না ১ বছরের ।
কাল যদি তোমার বাবা-মা আমার
সাথে দেখা না করে তুমি আর
ক্লাসে আসবে না ।
এখন যাও ।
ছেলেটির বয়স হবে
১৪-১৫ .
ছেলেটি কাদতে কাদতে ক্লাসে গিয়ে তার
ছিড়া - ব্যাগ টি নিয়ে বের
হয়ে গেল স্কুল থেকে ।
সেই থেকে ছেলেটি আর
স্কুলে আসে না । অনেক দিন পর সেই
স্কুলের
হেড স্যার
একদিন রাস্তায় রিক্সার জন্য
দাড়িয়ে ছিল । কোথা থেকে যেন
একটা রিক্সা এসে বলল , স্যার উঠেন

স্কুলে যাবেন ?
স্যার একটু আশ্চর্য
হয়ে রিক্সা চালকটির
দিকে তাকিয়ে রইলো । একটা ১৪-১৫
বছরের
ছেলে রিক্সা চালাচ্ছে ।
স্যার আরও বেশী অবাক হল , যখন
দেখলো এই ছেলেটা সেই ছেলে .
যাকে সে স্কুল থেকে বের
করে দিয়ে ছিল । স্যার আর
কথা বলতে পারলো ণা । চুপ
করে রিক্সায় উঠে বসলো।
ছেলেটি কথা বলতে শুরু করলো।
" স্যার , আমাকে চিনছেন ?
= স্যার , না (না চিনার ভান
করে বলল
- ) "স্যার ঐ দিন পরীক্ষার
ফি দিতে পারি নাই তাই
আমাকে বের করে দিছিলেন।
আমি সেই ছেলে ।
= হুম . চিনতে পারছি "
স্যার আপনে ঐ দিন আমারে স্কুল
থেকে বের না করে দিয়ে আমি , আজ
না খেয়ে মরতাম ।
= মানে " স্যার আমি এতিম ।
রাস্তায় রাস্তায়
ঘুরতাম । আর বিভিন্ন স্কুলের
সামনে দারাইয়া থাকতাম আর
ভাবতাম আমি যদি পরতে পারতাম ।
একদিন একটা , সাহেব তার বউ
আমারে দেইখা , আপনার
স্কুলে ভর্তি করাইয়া দিছিল।
আমি অনেক খুশি ছিলাম । কিন্তু
স্কুলে ভর্তি করানোর পর আর সেই
সাহেব- মেডাম রে দেখি নাই । আর
আমি পাগলের মত ,
খাইয়া না খাইয়া সারা দিন
স্কুলে পইরা থাকতাম । সাবই যখন
টিফিন খেত , আমি দূরে এক
কোনে বসে বসে ,
সবা্র খাওয়া দেখতাম । আর
কান্না করতাম ।
ক্ষিধা অনেক লাগতো । কিন্তু ক্লাস
করতে বেশী ভাল লাগতো । তাই
না খাই য়া ক্লাস করতাম । আর
রাতে গিয়া রাস্তার
পাশে ঘুমাইতাম ।
আপনে আমারে স্কুল থেকে বের
করে দেবার পর বুঝতে পারলাম ,
পড়া শুনা আমাদের জন্য না । যাদের
পেটে ১ বেলা বরপেট খাবার
জুটে না , বাবা- মা নাই তাদের জন্য
পড়া লেখা না । তাই ঐ দিন
থেকে স্যার
আমি রিক্সা চালাই
তাছি । এখন স্যার প্রতিদিন ৩
বেলা হোটেল এ ২ প্লেট ভাত ,
সাথে মাছ , ডাইল . দিয়া পেট
ভইরা ভাত খাই । ..... স্যার মাফ
কইরা দিয়েন ,
আমি কি সব বকবক
কইরা আপনেরে ডিস্টার্ব করতাছি ।
স্যার স্কুল আইসা পরছে ।
= এই নেও ভাড়া ।
" স্যার এই ডা কি কন ?
আপনি আমার স্যার , আপনার
থেকে আমি টাকা নিয়া বেয়াদবি করতে পারমু
না । স্যার ।
বলে ছেলেটা চলে গেল ।
আর ততখনে , হেড স্যারের , দুচোখ
দিয়ে অঝর পানি পড়ছে ।
রুমাল দিয়ে মুছতেছিল , কিন্তু
এখন যেন আর মুছে শেষ
করা যাচ্ছে না ।
যেই
ছেলে টা কে সে , না জেনে অনেক
কথা শুনিয়ে স্কুল থেকে বের
করে দিয়ে ছে ,
আহ সেই ছেলে তাকে এত সম্মান
দিল ?
স্যার হাটতে হাটতে আর
চোখের
পানি মুছতে মুছতে নিজের
রুমে ডুকলেন ।
" আসুন না , আমরা এই রকম কিছু গরীব
ছেলেদের সাহায্যে এগিয়ে আসি ।
একদিনের জন্য নয় , ছেলেটির
পাশে সব
সময় থাকি ।
আপনি এত টা কামাচ্ছেন , এর
থেকে যদি প্রতি মাসে , ২০০ টাকা ,
কোন গরীব ছেলের পড়াশুনার
খরচে ব্যয় করেন ,
দেখবেন নিজেকে অনেক
সুখি লাগবে ।

02
কখনও তোমায় বলিনি , মনের
কথা গুলোকে অব্যক্ত রেখেছি ,
ভেবেছি আমি না বললেও হয়ত
তুমি শুনবে । কখনও
অনুভূতি গুলোকে প্রকাশ করিনি ,
মনের চাদর
দিয়ে ঢেকে চোখের
আড়ালে রেখে দিয়েছে ,
ভেবেছিলাম
হয়ত তুমি বুঝবে । কি করে বলব
বা বোঝাব বল , সব
কথা বা অনুভূতি তো আর
বোঝানো যায় না ,
সেগুলোকে বুঝে নিতে হয় ।

03
প্রতিক্ষণে পড়ে মনে
তোমার কথা,
তোমার জন্য
আমার এতো ব্যাকুলতা।

হারিয়ে যাই
ভাবনার সাগরে
তোমায় ভেবে।
মনের ঘরে
স্বপ্ন সাজাই
তোমায় নিয়ে।

কেনো থাকো
আমায় ছেঁড়ে
দূরে দূরে,
আমিতো পারিনা
এক মুহূর্ত
থাকতে তোমায় ভুলে।
তুমি হীনা
নিঃশ্ব লাগে নিজেকে।
শুন্যতা
আসে নেমে
এই হৃদয় জুড়ে। My silnet Love

04
কেউ যদি আপনাকে ভালবাসে
এবং
আপনি তাকে কাঁদালেন
তাহলে মনে রাখবেন একদিন আপনি ও
একজনকে ভালবাসবেন এবং
সেই মানুষটি অবশ্যই আপনাকে কাঁদাবে...

05
আকাশ, বৃষ্টি, মেঘ, হাসি, দুঃখ,
এগুলো নিয়েইত পৃথিবী, জীবন। কিছু আনন্দ,
কিছু বেদনা, কিছু অনুরাগ, আর মনে সামান্য
ভালবাসা, আবেগ, এগুলো নিয়েই গড়া একজন
মানুষ !

06
পৃথিবীতে কেও কেও
এত ভাগ্যবান যে,
মানুষকে অনেক কষ্ট দিয়েও নিজে
ভালবাসা পায়.......!!
আর কেও কেও
এত হতভাগা যে, অনেক বেশি.....
ভালবেসেও
বিনিময় শুধু কষ্ট
পেতে হয়........!!

07
কেমন আছো তুমি আমাকে ছাড়া?
এমন জীবন'ই তো চেয়েছিলে একদিন।
আমিহীন রূপোলি ভোর, সোনালি সন্ধ্যা..!!!
আজ তোমাকে তাই দিয়েছি।
স্তব্ধ জোছনা ভরা রাত...!!!
চাইলেই একা জ্যোত্স্না ছূঁতে পারো । আর কেউ ভাগ বসাবো না মাতাল বারান্দার
একফালি জোছনার আলোয়!
আর কেউ তোমার ঘুমহীন ক্লান্ত চোখের
ভাগ নেবে না।
তুমি তো তাই চেয়েছিলে ।
তবে এখন কেন ঘুরে বেড়াও এ'পথ থেকে ও'পথে?
কেন এত নিশ্চুপ হয়ে গেছো ?
কেন হাসির আড়ালে কান্না লুকাও ?
করো ঘুমহীন রাত্রি যাপন?

08
।। একটি হৃদয়স্পর্শী ভালোবাসার গল্প
।।
একটি মেয়ে তার প্রেমিকের
"আমি তোমাকে ভালবাসি,
তোমাকে মিস
করি" এই টাইপ মেসেজ
পেতে পেতে বিরক্ত হয়ে যেত !
এক রাতে প্রেমিকের
সাথে হালকা কথা কাটাকাটির পর
সে মোবাইল
সাইলেন্ট করে দিলো,
অনেকগুলো ফোন আসলো,
একটি মেসেজ আসলো, কিন্তু
সে সেটি না পড়ে ঘুমিয়ে গেল।
পরদিন ভোর বেলায় ছেলের মা'র
ফোনে তার মেয়েটির ঘুম
ভাঙ্গল। ছেলের মা বললেন, তার
ছেলে গতকাল
রাতে এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছে।
বাকরুদ্ধ মেয়েটি তখন মেসেজটি চেক
করলো ।
লেখা ছিল --
" প্লিজ, তুমি বাসার সামনে বের হও,
তোমাকে দেখতে অনেক
ইচ্ছে করছিল, তাই
কাউকে না জানিয়ে এত রাতে বের
হয়েছিলাম,
আমি এক্সিডেন্ট করেছি, আমার
অবস্থা খুবই খারাপ,
একবার তোমাকে দেখবো, আই এম
সরি....
জীবনে কখনই কোন কিছু Ignore করবেন
না।

09
=>>দুই প্রজাপতি একজন আরেকজনকে খুব
ভালোবাসতো।
তাদের মাঝে প্রায়ই তর্ক
হতো যে কে কাকে বেশি ভালোবাসে। যাই হোক,
একদিন তারা দুজনে একটা বাজি ধরল। বাজির শর্ত
ছিল, তারা যেই বাগানে থাকে সেই বাগানের
সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার উপর একদম
সকালে যে আগে বসতে পারবে সেই
অন্যজনকে বেশি ভালোবাসে!
মেয়ে প্রজাপতিটা রাতে আর ঘুমাল না। সে শুধু
ভাবতে লাগলো।
ঘুমিয়ে পড়লে যদি ছেলে প্রজাপতিটা আগে চলে যায়!
খুব
সকালে মেয়ে প্রজাপতিটা তাড়াতাড়ি বাসা থেকে বের
হয়ে উড়তে উড়তে সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার কাছে গেল।
তখন ছিল একদম ভোরবেলা। চারিপাশে আলোও
ফুটেনি। সে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো কখন
সকাল হবে আর ফুলটা ফুটবে! এরপর সকাল হলো।
সূর্যের প্রথম কিরণ সেই বাগানের সবচেয়ে সুন্দর
ফুলটার উপর পড়লো। আর মেয়ে প্রজাপতিটা গভীর
বিস্ময়ে দেখল-
ছেলে প্রজাপতিটা সেই ফুলের মধ্যে বসে আছে।
তার দেহে প্রান নেই। আসলে, মেয়েটাকে সকাল
বেলা চমকে দেয়ার জন্য সে গত রাত থেকেই ফুলটার
মধ্যে ঢুকে ছিল। রাতে যখন ঠাণ্ডা খুব বেড়ে যায়
তখন সে ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে মারা যায়। আর এজন্য
সে মরে ফুলের মধ্যেই পরে থাকে। সে চেয়েছিল
নিজের প্রিয়তমাকে চমকে দিতে! কিন্তু পারেনি।
অন্যদিকে মেয়ে প্রজাপতিটি এই দৃশ্য সহ্য
করতে পারলো না। সে আগুনে ঝাঁপ
দিয়ে আত্মহত্যা করে।
☆☆মূলকথা: ভালোবাসা আসলে এমনই হয়।
এটি যেমন আমাদের বাঁচতে শেখায়, ঠিক
তেমনি আবার মাঝে মাঝে অনেক বেশি দুর্বল
করে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।।

10
একটু খানি শোন
একটু আমায় জানো..
একটু খবর নিয়ো,,
একটু যখন একা,
একটু দিয়ো দেখা,,
একটু নিয়ো খোঁজ Sms দিয়ো রোজ my
silent love

11
নিজের লেখা গান, কবিতা, গল্প,
ছড়া, বাণী,
জীবনের স্বরণীয় ঘটনা, মোবাইল
ফটোগ্রাফী
বা গাওয়া গান আপনি চাইলে এই
গ্রুপের মাধ্যমে
ছড়িয়ে/জানিয়ে

12
পৃথিবীতে কেও কেও
এত ভাগ্যবান যে,
মানুষকে অনেক কষ্ট দিয়েও নিজে
ভালবাসা পায়.......!!
আর কেও কেও
এত হতভাগা যে, অনেক বেশি.....
ভালবেসেও
বিনিময় শুধু কষ্ট
পেতে হয়........!!

13কখনও তোমায় বলিনি , মনের
কথা গুলোকে অব্যক্ত রেখেছি ,
ভেবেছি আমি না বললেও হয়ত
তুমি শুনবে । কখনও
অনুভূতি গুলোকে প্রকাশ করিনি ,
মনের চাদর
দিয়ে ঢেকে চোখের
আড়ালে রেখে দিয়েছে ,
ভেবেছিলাম
হয়ত তুমি বুঝবে । কি করে বলব
বা বোঝাব বল , সব
কথা বা অনুভূতি তো আর
বোঝানো যায় না ,
সেগুলোকে বুঝে নিতে হয় ।

14
কখনোই কাউকে খুব বেশি বিশ্বাস করবেন না।। খুব বেশি ভালোবাসবেন না।।
প্রিয়জনের কাছ থেকে খুব বেশি আশা ও করবেন না।
কারণ আপনি যখন কাউকে খুব বেশি ভালোবাসবেন, 

বিশ্বাস করবেন,সে তখন আপনাকে এতোটাই কষ্ট দিবে যা আপনি সহ্য করতে পারবেন না

15
যার মুখের
হাসি তোমাকে হাসাতে পারে ,
সে কিন্তু
তোমাকে অঝরে কাদাতেও
পারে,
যার ইশারায় তোমার জীবন
গড়তে পারে ,
তার সামান্য
নিরাবতা তোমার জীবন
ভাঙ্গাতেও পারে।