( এই পোষ্টের প্রতিটি তথ্য
বিভিন্ন উত্স থেকে সংগৃহীত ।
কোনরূপ
বিভ্রান্তি ছড়ানোর
চেষ্টা এখানে করা হয়নি । ধন্যবাদ
। )
আপনি বাথরুমে গেলেন, হাত মুখ
ধুলেন,
তারপর নিশ্চয়ই বেসিনের
আয়নাটার
দিকে তাকাবেন ? কেমন
হবে যদি দেখা যায় আয়নায় যেই মুখটি দেখা যাচ্ছে তা আপনার না,
অন্য
কারো? ধরেন বীভৎস একটা মুখ,
যা আপনি আগে কখনো দেখেন নি!
আয়না নিয়ে অনেক রহস্যময়
ঘটনা আছে। প্রাচীনযুগ থেকেই
আয়নাকে ঘিরে মানুষের আগ্রহের
শেষ নেই ।
হাজার হাজার বছর ধরেই
আয়না নিয়ে মানুষ অনেক ভীতিকর
ঘটনা ফেস করে আসছে। নানান
গল্পও
শোনা যায় এই নিয়ে।
অনেকে বিশ্বাস
করেন যে, আয়না মৃত মানুষের
আত্মাকে ধরে রাখে। কেউ
যদি মারা যায়
এবং সেই ঘরে যদি কোনও
আয়না থাকে তবে সেই আয়না সেই লাশের
আত্মাটাকে ধরে রাখে। তাই অনেক
জায়গায় কেউ
মারা গেলে সাথে সাথে সেই
রুমে কোন
আয়না থাকলে তা সরিয়ে ফেলা হয় অথবা কাপড়
দিয়ে ঢেকে ফেলা হয় ।
বাইবেলের ভাষ্য মতে ,
আয়না শয়তান
তৈরি করেছে, যাতে আয়নার
মধ্যে আত্মা ঢুকে গিয়ে আর
স্রস্টার
কাছে ফিরে যেতে না পারে। এতে করে আয়নার
ভেতর আটকে থাকা সেই আত্নার
মালিক শয়তান
হয়ে যায় !
আমেরিকাতে একটা কথা শোনা যেত
১৯৭৮
সালের দিকে। কোনও অন্ধকার
রুমে যদি একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে
আয়নার
সামনে দাঁড়িয়ে কেউ “ব্লাডি মেরী”
১৩বার (কোখাও কোখাও
বলা আছে ৩বার অথবা ৫ বার ।)
বললে নাকি আয়নাতে একটা অল্প
বয়সী মেয়েকে দেখা যেত !
তাকে "ইভিল স্পিরিট" বা শয়তানের
আত্মা বলা হয়। একে দেখা মানেই
সেই
বাড়িতে অশান্তি নেমে আসতো !
অনেকে নাকি সেই
ব্লাডি মেরীর নখের খামচিও খেয়েছে বলে দাবী করে থাকে !
আমেরিকার আরেকটা জায়গায়
“কারডিনি গ্রীন” নামের
একজনের
কথা শোনা যায়। এই লোকের নামও
নাকি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ৫
বার নিলে তাকে দেখা যায়। তার এক
হাত কাঁটা। সেই
হাতে নাকি একটা স্টিলের
স্পাইক লাগানো!
এক স্টুডেন্ট একবার আসাইন্মেন্ট
করার কাজে ঐ জায়গা টায়
গিয়েছিলো , যেখানে সেই গ্রীন
নামক
ব্যাক্তির কথা প্রচলিত ছিল।
সেই এলাকার সবাই গ্রীন নামক
ব্যাক্তির
আত্মা নিয়ে এতো বেশি আতঙ্কে
ছিল ,
যে তারা কেউ ঐ
স্টুডেন্টকে কোন তথ্য দিতে পারছিল না ভয়ে।
স্টুডেন্টটা পরে নিজে একা সেই
এলাকায়
গিয়ে ঐ কারডিনি গ্রীন নামক
ব্যাক্তির
ব্যাপারে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিলো। পরের দিন ঐ স্টুডেন্টের
লাশ
উদ্ধার করা হয়। তার
সাথে কি ঘটেছিলো তা কেউ
জানে না।
বলা হয়ে থাকে যে,
কারো ঘরে যদি পুরনো আমলের
বিশাল
বড় কোন
আয়না থেকে থাকে তবে সেসব
আয়নাতে কিছু না কিছু থাকে । গুজব আছে যে ,
আত্মা যখন
একটা রুমে ঢুকে , আয়নাকে সে তার
বের হবার পথ ভেবে ভুল করে।
তখন
সে আয়নার ভেতর ঢুকে ঠিকই কিন্তু
বের হতে পারে না।
একবার ভাবুন তো, আজকে একটু
পর
হয়তো আপনি বাথরুমে যাবেন,
ওখানে বা তার আশে পাশে নিশ্চয়
একটা আয়না আছে। তাকিয়ে দেখুন
তো , আয়নার ভেতরের
মানুষটা কি আসলেই
আপনি ?
অন্য কেউ নয়তো ??
বিভিন্ন উত্স থেকে সংগৃহীত ।
কোনরূপ
বিভ্রান্তি ছড়ানোর
চেষ্টা এখানে করা হয়নি । ধন্যবাদ
। )
আপনি বাথরুমে গেলেন, হাত মুখ
ধুলেন,
তারপর নিশ্চয়ই বেসিনের
আয়নাটার
দিকে তাকাবেন ? কেমন
হবে যদি দেখা যায় আয়নায় যেই মুখটি দেখা যাচ্ছে তা আপনার না,
অন্য
কারো? ধরেন বীভৎস একটা মুখ,
যা আপনি আগে কখনো দেখেন নি!
আয়না নিয়ে অনেক রহস্যময়
ঘটনা আছে। প্রাচীনযুগ থেকেই
আয়নাকে ঘিরে মানুষের আগ্রহের
শেষ নেই ।
হাজার হাজার বছর ধরেই
আয়না নিয়ে মানুষ অনেক ভীতিকর
ঘটনা ফেস করে আসছে। নানান
গল্পও
শোনা যায় এই নিয়ে।
অনেকে বিশ্বাস
করেন যে, আয়না মৃত মানুষের
আত্মাকে ধরে রাখে। কেউ
যদি মারা যায়
এবং সেই ঘরে যদি কোনও
আয়না থাকে তবে সেই আয়না সেই লাশের
আত্মাটাকে ধরে রাখে। তাই অনেক
জায়গায় কেউ
মারা গেলে সাথে সাথে সেই
রুমে কোন
আয়না থাকলে তা সরিয়ে ফেলা হয় অথবা কাপড়
দিয়ে ঢেকে ফেলা হয় ।
বাইবেলের ভাষ্য মতে ,
আয়না শয়তান
তৈরি করেছে, যাতে আয়নার
মধ্যে আত্মা ঢুকে গিয়ে আর
স্রস্টার
কাছে ফিরে যেতে না পারে। এতে করে আয়নার
ভেতর আটকে থাকা সেই আত্নার
মালিক শয়তান
হয়ে যায় !
আমেরিকাতে একটা কথা শোনা যেত
১৯৭৮
সালের দিকে। কোনও অন্ধকার
রুমে যদি একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে
আয়নার
সামনে দাঁড়িয়ে কেউ “ব্লাডি মেরী”
১৩বার (কোখাও কোখাও
বলা আছে ৩বার অথবা ৫ বার ।)
বললে নাকি আয়নাতে একটা অল্প
বয়সী মেয়েকে দেখা যেত !
তাকে "ইভিল স্পিরিট" বা শয়তানের
আত্মা বলা হয়। একে দেখা মানেই
সেই
বাড়িতে অশান্তি নেমে আসতো !
অনেকে নাকি সেই
ব্লাডি মেরীর নখের খামচিও খেয়েছে বলে দাবী করে থাকে !
আমেরিকার আরেকটা জায়গায়
“কারডিনি গ্রীন” নামের
একজনের
কথা শোনা যায়। এই লোকের নামও
নাকি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ৫
বার নিলে তাকে দেখা যায়। তার এক
হাত কাঁটা। সেই
হাতে নাকি একটা স্টিলের
স্পাইক লাগানো!
এক স্টুডেন্ট একবার আসাইন্মেন্ট
করার কাজে ঐ জায়গা টায়
গিয়েছিলো , যেখানে সেই গ্রীন
নামক
ব্যাক্তির কথা প্রচলিত ছিল।
সেই এলাকার সবাই গ্রীন নামক
ব্যাক্তির
আত্মা নিয়ে এতো বেশি আতঙ্কে
ছিল ,
যে তারা কেউ ঐ
স্টুডেন্টকে কোন তথ্য দিতে পারছিল না ভয়ে।
স্টুডেন্টটা পরে নিজে একা সেই
এলাকায়
গিয়ে ঐ কারডিনি গ্রীন নামক
ব্যাক্তির
ব্যাপারে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিলো। পরের দিন ঐ স্টুডেন্টের
লাশ
উদ্ধার করা হয়। তার
সাথে কি ঘটেছিলো তা কেউ
জানে না।
বলা হয়ে থাকে যে,
কারো ঘরে যদি পুরনো আমলের
বিশাল
বড় কোন
আয়না থেকে থাকে তবে সেসব
আয়নাতে কিছু না কিছু থাকে । গুজব আছে যে ,
আত্মা যখন
একটা রুমে ঢুকে , আয়নাকে সে তার
বের হবার পথ ভেবে ভুল করে।
তখন
সে আয়নার ভেতর ঢুকে ঠিকই কিন্তু
বের হতে পারে না।
একবার ভাবুন তো, আজকে একটু
পর
হয়তো আপনি বাথরুমে যাবেন,
ওখানে বা তার আশে পাশে নিশ্চয়
একটা আয়না আছে। তাকিয়ে দেখুন
তো , আয়নার ভেতরের
মানুষটা কি আসলেই
আপনি ?
অন্য কেউ নয়তো ??
No comments:
Post a Comment